Showing posts with label শিক্ষণীয় গল্প. Show all posts
Showing posts with label শিক্ষণীয় গল্প. Show all posts

Tuesday, 2 November 2021

শিক্ষণীয় গল্প-19


 

কোন এক গ্রামে অনেক বানর ছিল। একদিন সেখানে এক দরবেশ বাবার আবির্ভাব ঘটলো। তিনি তার বিশাল শাগরেদ দল নিয়ে গ্রামে আস্তানা গাড়লেন। প্রথমদিনেই দরবেশের শাগরেদগণ ঘোষণা দিলেন যে, বাবা বানর কিনবেন। প্রতিটি বানর ১০ টাকা করে।

১০ টাকার জন্য কে আর বানরের পিছনে দৌড়াবে? তারপরও যাদের কিছু করার নেই, তারা কিছু বানর ধরে এনে বাবাকে দিলেন।
কিছুদিন পরে বাবা ঘোষণা দিলেন তিনি বানর ১০০ টাকা করে কিনবেন। এবার অনেকেই নড়ে বসলেন। অনেকেই বানর ধরলেন এবং বাবার কাছে বিক্রি করলেন।
আরও কিছুদিন পর বাবা ঘোষণা করলেন তিনি এখন বানর ৫০০ টাকা করে কিনবেন। পুরো গ্রামে হুলুস্থুল পড়ে গেল। কৃষক মাঠ ফেলে, বাচ্চারা স্কুল ফাকি দিয়ে, গৃহিণী চুলোর আগুণ নিভিয়ে, সবাই বানর ধরতে ব্যস্ত হয়ে গেলো।
বাবা বানরের দাম আরও বাড়িয়ে দিলেন। এখন ১০০০ টাকা! গ্রামের লোকেরা এখন আর কিছু করে না। তারা শুধুই বানর ধরে আর বাবার কাছে বিক্রি করে।
এভাবে ভালই চলছিলো কিন্তু গ্রামে বানর শেষ! সব বানর বাবার খাঁচায়। গ্রামের লোক পাগলের মত চারিদিকে বানর খুঁজে বেড়ায়। কিন্তু বানর আর পায়না। এর মাঝে বাবার কিছু চালাক শাগরেদ চুপি চুপি লোকদের বলল, তারা বাবার খাঁচা থেকে বানর বের করে দিতে পারবে। বিনিময় মাত্র ৯০০ টাকা।
সবাই আবার হুড়মুড় করে পড়ল শাগরেদ দের থেকে বানর কেনবার জন্য। কোন পরিশ্রম ছাড়াই, ঘরে বসে এত লাভ! এর চেয়ে ভাল ব্যবসা আর হয় নাকি। তারা শাগরেদদের থেকে বানর কেনে আর বাবাকে ১০০০ টাকায় বিক্রি করে। নগদে ১০০ টাকা লাভ।
কিছুদিন পর বাবা ঘোষণা দিলেন তিনি এখন বানর ২০০০ টাকা করে কিনবেন। শাগরেদরাও দাম বাড়িয়ে দিল। তারা এখন প্রতি বানর ১৮০০ টাকা করে বেচে। তারপরও লোকের চাহিদা মেটাতে পারেনা। এবার বাবা দাম বাড়িয়ে ৫০০০ টাকা করলেন। লোকেতো এখন পাগল প্রায়। শাগরেদরা এখন বানর ৪০০০ টাকা করেছে।
শাগরেদরা এখন লোককে বলতে লাগল, যে বানর কিনে নিয়ে যাও, তবে এখনই বিক্রি করে দিয়োনা। আর কিছুদিন পরেই বাবা ১০০০০ টাকা দিয়ে বানর কিনবে। এবং তাদের কাছে গোপন সংবাদ আছে যে বাবা বানর সর্বোচ্চ ৫০০০০ টাকা দিয়ে কিনবেন।
আর পায় কে! সবাই তাদের জমানো টাকা ভেঙ্গে, মহিলারা তাদের গহনা বিক্রি করে, বয়স্করা তাদের পেনশনের টাকা তুলে, যুবকেরা পড়া লেখা বাদ দিয়ে, ব্যবসায়িরা ব্যবসার মূলধন ভেঙ্গে ৪০০০ টাকা করে বানর কিনে স্টক করলো। অনেকে জমিজমাও বিক্রি করে দিলেন। সবাই বানর কিনছেই আর কিনছে। বিক্রি করেনা।
এদিকে বাবাও দাম বাড়িয়ে চলছেন । ১০০০০, ১৫০০০, ২০০০০ …। কিন্তু কেউ এখন বিক্রি করবেনা। সবাই অপেক্ষা করছে কখন ৫০০০০ টাকার কাছকাছি যাবে। পুরো গ্রামে উত্তেজনা। এই বুঝি বড়লোক হয়ে গেলাম। যারা বানর কিনেনি তাদের নিয়ে লোকজন হাসাহাসি করে, ইশ কত বোকা!
একদিন সকালে তারা দেখল বাবার আস্তানা খালি। বাবা আর তার শাগরেদরা তাদের তল্পিতল্পা গুটিয়ে গায়েব। পুরো গ্রাম এখন শুধুই বানরময়।
''একেই বলে মাংকি বিজনেস।''
###Thanks For Visiting...............

'শিক্ষণীয় গল্প: এক গ্লাস পানি'




 'শিক্ষণীয় গল্প: এক গ্লাস পানি'
একদিন এক প্রফেসর ক্লাসে এলেন। তার হাতে পানিপূর্ণ কাচের একটি গ্লাস। তিনি সেটি শিক্ষার্থীদের দিকে বাড়িয়ে ধরলেন। হাসিমুখে জানতে চাইলেন, ‘আমার হাতে যে পানিভর্তি গ্লাস দেখছ, এর ওজন কত হতে পারে?’
‘৫০ গ্রাম, ১০০ গ্রাম কিংবা ১৫০ গ্রাম হতে পারে, স্যার।’ শিক্ষার্থীরা জবাব দিল।
‘আসলে আমিও জানি না এর ওজন কত। কারণ আমি এটি মেপে দেখিনি।’ প্রফেসর বললেন, ‘ওজন যা-ই হোক, সেটি আমার জানার বিষয় নয়। আমার প্রশ্ন হল- আমি যদি এই গ্লাসটি কয়েক মিনিট এভাবে হাতে ধরে রাখি তাহলে কী হবে?’
শিক্ষার্থীরা বলল, ‘তেমন কিছুই হবে না, স্যার।’
‘ঠিক আছে। কিন্তু আমি যদি গ্লাসটা কয়েক ঘণ্টা এভাবে ধরে রাখি তাহলে কী হবে?’ এবার জানতে চাইলেন প্রফেসর।
এক ছাত্র জবাব দিল, ‘আপনার হাতে ব্যথা শুরু হবে।’
‘ঠিকই বলেছ। এবার যদি আমি এটাকে সারা দিন এভাবে ধরে রাখি তাহলে?’ আবার জানতে চাইলেন প্রফেসর।
আরেকজন বলল, ‘তাহলে আপনার হাত অসাড় হয়ে যেতে পারে। হাতের পেশি কাজ করবে না। আপনি প্যারালাইজড হয়ে যেতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনাকে ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।’
একথা শুনে শিক্ষার্থীরা বেশ মজা পেল। হাসলও কেউ কেউ।
প্রফেসরও হাসিমুখে বললেন, ‘তোমরা ঠিকই বলেছ। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে কি গ্লাসের ওজন কিংবা উপাদানের কোনো পরিবর্তন হয়েছে?’
‘না, স্যার। কোনো পরিবর্তন হয়নি।’ উত্তরে বলল সবাই।
‘তাহলে সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কেন আমার হাতে ব্যথা হবে? কেনই বা হাতের পেশি অসাড় হয়ে যাবে?’ এবার জানতে চাইলেন প্রফেসর। শিক্ষার্থীরা দ্বিধায় পড়ে গেল। একটু থেমে প্রফেসর জিজ্ঞেস করলেন, ‘আচ্ছা, হাতের ব্যথা কমাতে চাইলে আমাকে কী করতে হবে?’
‘গ্লাসটা হাত থেকে নামিয়ে রেখে দিতে হবে, স্যার।’ একজন শিক্ষার্থী জবাব দিল।
‘ঠিক তাই।’ প্রফেসর বললেন, ‘জীবনের সমস্যাগুলোও এই এক গ্লাস পানির মতো। কিছুক্ষণ ধরে রাখলে সমস্যা হয় না। কিন্তু দীর্ঘ সময় হলে বড় আকারের সমস্যা হয়ে দেখা দেয়। আমাদের জীবনের সমস্যা কিছুক্ষণ মাথায় থাকলে তেমন কিছু হবে না। কিন্তু যদি সারা দিন শুধু সমস্যা নিয়েই চিন্তা করি তাহলে সেটা কষ্ট দিতে শুরু করবে। যত বেশি চিন্তা করা হবে কষ্টগুলো বাড়তেই থাকবে। ফলে সব কাজ বন্ধ হয়ে যাবে। জীবন হয়ে যাবে অসাড়। তাই সমস্যার চাপ সারা দিন না বয়ে রাতে শুতে যাওয়ার আগে গ্লাসের মতোই তা নামিয়ে রাখতে হবে।
শিক্ষা: এই গল্পের শিক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, জীবনের সমস্যা নিয়ে চিন্তা করার চেয়ে আরও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল চিন্তাগুলো ঝেড়ে ফেলা।

Monday, 1 November 2021

শিক্ষণীয় গল্প-১৮


 

এক কলা বিক্রেতা ৫ টাকা পিস দরে কলা বিক্রি করছিল। প্রচুর বিক্রি হচ্ছিল। মানুষ নিচ্ছে আর ছাল ছাড়িয়ে খাচ্ছে। দেখে বিক্রেতা ভাবল যদি ছাল ছাড়িয়ে রাখি তাহলে ক্রেতাদের ছাড়াতে কষ্ট হবেনা এবং ছাড়িয়ে দেওয়ার কারনে দাম ও বেশি পাব। তখন সে কিছু কলা ছাড়িয়ে তার দাম ধার্য করল ৬ টাকা পিস।

এখন ক্রেতারা এসে দাম জিজ্ঞাসা করলে, সে বলছে ছাল জড়ানো ৫, ছাড়ানো ৬টাকা। ক্রেতারা ৫টাকা দরের কলা নিয়ে যাচ্ছে। সে ভাবল যখন কম দামি থাকবে না, তখন দাম বেশি দিয়ে নিয়ে যাবে। এক সময় ৫ টাকার কলা সব শেষ৷ এখন আর কোন ক্রেতা তার কাছে আসে না। তবে প্রচুর মাছি এসে বিনামূল্যে কলা খাচ্ছে আর ভৌঁ ভৌঁ করে উড়ে বেড়াচ্ছে।
এখন সে ভাবল দাম কমালে বিক্রি হবে। সে দাম কমাতে কমাতে ০ টাকাতে চলে এলো,তবুও কেউ নিল না। দিনের শেষে সেগুলো ড্রেনে ফেলে দিল৷ যে ড্রেন পরিষ্কার করে সে ওই সময় টাকা তুলতে এসেছিল। তার নজরে পড়ে গেল। সে বলল, ভাই এত আবর্জনা করলে? এত তুলতে পারব না। অনেক কথার পর সে কিছু টাকা দিয়ে বলল কিছু মনে করো না পরিষ্কার করে দিও।
বর্তমান যুগের মেয়েদের অবস্থা ঠিক এই রকম। আগের মেয়েরা পর্দা করে চলত তাই তাদের টাকা দিয়ে সম্মানের সাথে নিয়ে যেত। এখন এরা ছাল ছাড়িয়ে দাম বাড়ানোর প্রচেষ্টায় আছে। দামও বাড়ছে না উপরন্তু কিছু মাছি জাতীয় জন্তু তাদের উপর বসে চুষে খেয়ে উড়ে পালাচ্ছে। আর এরা নিজেদের দাম বাড়াতে গিয়ে এত কমে যাচ্ছে যে, এদেরকে লক্ষাধিক টাকা দিয়ে পার করাতে হচ্ছে।
নারীর মর্যদা পর্দায় কমে না বরং বাড়ে। বেপর্দায় কমে।
###Thanks For Visiting...........

শিক্ষণীয় গল্প-১৭


 

এক বিয়ের অনুষ্ঠানে এক যুবক তার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে দেখতে পেলেন। বহুদিন পর ছোটবেলার শিক্ষককে দেখে যুবক তাঁর কাছে ছুটে গেলেন এবং বললেন, “স্যার, আপনি কি আমাকে চিনতে পেরেছেন ?”

শিক্ষক বললেন, ”না, আমি খুব দুঃখিত, তোমাকে চিনতে পারছি না।”
যুবক তখন বললেন, “স্যার,আমি আপনার ছাত্র, আপনার মনে থাকার কথা, থ্রিতে পড়ার সময় আমাদের এক সহপাঠীর দামি একটি কলম চুরি হয়েছিল।
সেই সহপাঠী কাঁদতে কাঁদতে আপনাকে নালিশ করল। আর আপনি সব ছাত্রকে চোখ বন্ধ করে দেয়ালের দিকে মুখ করে দাঁড়াতে বললেন। তারপর একজন একজন করে চেক করতে শুরু করলেন । আমি ভয়ে কাঁপতে লাগলাম। কারণ কলমটি ছিল আমার পকেটে।
আমি যে কলমটি চুরি করেছি তা আবিষ্কার হওয়ার পর আমি যে লজ্জার মুখোমুখি হব, আমার শিক্ষকরা আমার সম্পর্কে যে ধারণা পাবেন, স্কুলে সবাই আমাকে ‘চোর’ বলে ডাকবে এবং এটি জানার পর আমার মা-বাবার কী প্রতিক্রিয়া হবে- এই সমস্ত ভাবতে ভাবতে আমার মরে যেতে ইচ্ছে হল।
একসময় আমার পালা এল । আমি অনুভব করলাম আমার পকেট থেকে আপনি কলমটি বের করছেন। কিন্তু আমি অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম আপনি কিছু বলছেন না এবং আপনি বাকী শিক্ষার্থীদের পকেট অনুসন্ধান করে চলেছেন।
তারপর যখন অনুসন্ধান শেষ হল, আপনি আমাদের চোখ খুলতে বললেন এবং আমাদের সবাইকে বসতে বললেন। ভয়ে আমি বসতে পারছিলাম না, কারণ আমার মনে হচ্ছিল একটু পরেই আপনি আমাকে ডাকবেন। না, আপনি তা না করে কলমটি সবাইকে দেখালেন এবং মালিককে ফেরৎ দিলেন।
কলমটি যে চুরি করেছে তার নাম আপনি আর কখনও কাউকে বলেননি। আপনি আমাকে একটি কথাও বলেননি, এবং আপনি কখনও কারও কাছে গল্পটির উল্লেখও করেননি।
স্যার , আপনি সেদিন আমার মর্যাদা রক্ষা করেছিলেন।
এই ঘটনার পর আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম জীবনে আর অন্যের জিনিস ছুঁয়েও দেখব না। “
“স্যার, এখন গল্পটি মনে পড়েছে কি ? গল্পটি আপনার ভোলার কথা না !!”
শিক্ষক জবাব দিলেন, ” হ্যাঁ! গল্পটি খুব ভালভাবেই মনে আছে আমার। তবে কার পকেটে কলমটি পাওয়া গিয়েছিল তা কখনো জানতে পারিনি। কারণ যখন আমি সবার পকেট চেক করছিলাম তখন আমি ইচ্ছে করেই তোমাদের মত নিজের চোখও বন্ধ করে রেখেছিলাম।”
এভাবেই প্রাথমিক শিক্ষকরা আত্মমর্যাদা বোধসম্পন্ন জাতি গঠনে কাজ করে চলেন নিরন্তর। কিন্তু তাঁরা যথাযথ মর্যাদা পায়না। যতদিন না আমলারা এটা বুঝতে পারবে, ততদিন প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন সম্ভব নয়, জাতির প্রকৃত বিকাশ সম্ভব নয়।
###Thanks For Visiting..........

কিছু শিখুন-০১


 
মহিষ চুরি করতে নাকি ৩ জন লাগে । ১ম চোর মহিষের গলার ঘন্টা খুলে বাজাতে বাজাতে গ্রামের উত্তর দিকে রওনা হয় । ২য় চোর মহিষ নিয়ে গ্রামের দক্ষিন দিকে হাটতে থাকে , আর তৃতীয় চোর ভাল মানুষ সেজে গ্রামের মানুষের সাথে মিশে যায়। ভাল মানুষ সাজা ৩য় চোর গ্রামের মানুষ কে পরামর্শ দেয় , ঘন্টার শব্দ যেদিক থেকে আসছে মহিষ সেই দিকেই গেছে। বাজনা প্রিয় গ্রামবাসী ঘন্টার শব্দের দিকেই হাটতে থাকে। ঘন্টা নিয়ে যাওয়া ১ম চোর নিরাপদ দুরত্বে গিয়ে ঘন্টা ফেলে দিয়ে অন্ধকারে মিশে যায়। গ্রামবাসী ঘন্টা খুঁজে পেয়ে ,ঘন্টা নিয়েই মশগুল থাকে। ২য় চোর মহিষ নিয়ে নিরাপদে চলে যায় , আর ভদ্র মানুষরুপী ৩য় চোর কে কিছুক্ষন পর খোজে পাওয়া যায় না।

দেশের যে কোন ইস্যুতে আমাদের মিডিয়া প্রথমে ঘন্টা বাজিয়ে বাজিয়ে একদিকে যেতে যেতে হঠাৎ মিলিয়ে যায়। আর সুশীল সমাজের পরামর্শে দেশবাসী ঘন্টার শব্দের দিকেই হাটতে থাকে। আর এদিকে ঘটনার মূল নায়ক ঘটনা ঘটিয়ে নিরাপদে প্রস্থান করে। মিডিয়া এক সময় থেমে যায় , তখন দেশবাসী কুড়িয়ে পাওয়া ঘন্টা বাজাতে থাকে।
###Thanks For Visiting.........

KFC- এর সংক্ষিপ্ত জীবনী


 * মাত্র ৫ বছর বয়সে তিনি বাবাকে হারান

* ১৬ বছর বয়সে স্কুল থেকে ঝড়ে পড়েন
* ১৭ বছরের মাথায় মোট ৪ বার চাকরী হারিয়েছিলেন
* ১৮ বছর বয়সে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন
* ১৯ বছর বয়সে তিনি বাবা হন
* ২০ বছর বয়সে তার স্ত্রী তাঁকে ফেলে রেখে চলে যায় আর কন্যা সন্তানটিকেও নিয়ে যায় সাথে
* সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন এবং সেখানে ব্যর্থ হন
* ইনস্যুরেন্স কোম্পানীতে যোগদান করেন এবং সেখানেও সফলতার দেখা পান নি
* নিজের মেয়েকে নিজেই অপহরণ করতে গিয়েছিলেন এবং সেখানেও ব্যর্থ হন
* চাকরী নিয়েছিলেন রেললাইনের কন্ডাকটর হিসেবে, সুবিধে করতে পারেন নি
* অবশেষে এক ক্যাফেতে রাধুনীর চাকুরী নেন
* ৬৫ বছর বয়সে তিনি অবসরে গিয়েছিলেন।
* অবসরে যাবার প্রথম দিন সরকারের কাছ থেকে ১০৫ ডলারের চেক পেয়েছিলেন।
* তাঁর কাছে মনে হয়েছিল জীবন তাঁর মূল্যহীন
* আত্মহত্যা করবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।
* এরপর একটী গাছের নিচে বসে জীবনে কি কি অর্জন করেছেন তাঁর একটা লিস্ট বানাতে শুরু করলেন।
* হঠাত তাঁর কাছে মনে হল জীবনে এখনো অনেক কিছু করবার বাকি আছে আর তিনি বাকি সবার চাইতে একটি জিনিসের ব্যাপারে বেশি জানেন- রন্ধনশিল্প
* তিনি ৮৭ ডলার ধার করলেন সেই চেকের বিপরীতে আর কিছু মুরগী কিনে এনে নিজের রেসিপি দিয়ে সেগুলো ফ্রাই করলেন।
* এরপর Kentucky তে প্রতিবেশীদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সেই ফ্রাইড চিকেন বিক্রি করা শুরু করলেন!
* জন্ম নিল KENTUCY FRIED CHICKEN তথা KFC র...
* ৬৫ বছর বয়সে তিনি দুনিয়া ছাড়তে চেয়েছিলেন আর ৮৮ বছর বয়সে এসে Colonel Sanders বিলিওনার বনে গিয়েছিলেন।
* স্মরণীয় হয়ে আছেন KFC এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে!
তাই জীবনে হতাশ হবার কিছু নেই। আপনার হাতে এখনো অনেক সময় আছে জীবনে সফল হবার। শুধু সর্বোচ্চ আত্মবিশ্বাস ও চেষ্টা প্রয়োজন!
Thanks For Visiting.........

Wednesday, 27 October 2021

শিক্ষনীয় গল্প-16


 
শিক্ষনীয় গল্প

ছােট্ট এক ছেলে ছিলাে প্রচন্ড রাগী । তাই দেখে বাবা তাকে একটা পেরেক ভর্তি ব্যাগ দিল এবং বললাে যে,যতবার তুমি রেগে যাবে ততবার একটা করে পেরেক আমাদের বাগানের কাঠের বেড়াতে লাগিয়ে আসবে । প্রথমদিনেই ছেলেটিকে বাগানে গিয়ে ৩৭ টি পেরেক মারতে হলাে।পরের কয়েক সপ্তাহে ছেলেটি তার রাগকে কিছুটা নিয়ন্ত্রনে আনতে পারে তাই প্রতিদিন কাঠে নতুন পেরেকের সংখ্যাও ধীরে ধীরে কমে এলাে ।
সে বুঝতে পারলাে হাতুড়ী দিয়ে কাঠ বেড়ায় পেরেক বসানাের চেয়ে তার রাগকে নিয়ন্ত্রন করা অনেক বেশি সহজ।শেষ পর্যন্ত সেই দিনটি এলাে যেদিন তাকে একটি পেরেকও মারতে হলাে না । সে তার বাবাকে এই কথা জানালাে । তারা বাবা তাকে বললাে এখন তুমি যেসব দিনে তােমার রাগকে পুরােপুরি নিয়ন্ত্রন করতে পারবে,সেসব দিনে একটি একটি করে পেরেক খুলে ফেলাে।অনেক দিন চলে গেল এবং ছেলেটি একদিন তার বাবাকে জানালাে যে সব পেরেকই সে খুলে ফেলতে সক্ষম হয়েছে । তার বাবা এবার তাকে নিয়ে বাগানে গেল এবং কাঠের বেড়াটি দেখিয়ে বললাে‘ তুমি খুব ভাল ভাবে তােমার কাজ সম্পন্ন করেছাে,এখন তুমি তােমার রাগকে নিয়ন্ত্রন করতে পারাে কিন্তু দেখাে , প্রতিটা কাঠে পেরেকের গর্ত গুলাে এখনাে রয়ে গিয়েছে । কাঠের বেড়াটি কখনাে আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না ।যখন তুমি কাউকে রেগে গিয়ে কিছু বলাে তখন তার মনে ঠিক এমন একটা আচড় পরে যায় । তাই নিজের রাগকে নিয়ন্ত্রন করতে শেখাে।মানসিক ক্ষত অনেক সময় শারীরিক ক্ষতের চেয়েও অনেক বেশি ভয়ংকর।

Sunday, 24 October 2021

শিক্ষণীয় গল্প -১৫


 একদিন সক্রেটিসের কাছে তার এক পরিচিত লোক এসে বলল, আপনি কি জানেন আপনার বন্ধু সম্পর্কে আমি কি শুনেছি?

সক্রেটিস তেমন আগ্রহী না হয়ে বললেন, এক মিনিট থামেন।
আমাকে কিছু বলার আগে আপনাকে ছোট্ট একটা পরীক্ষা পার হতে হবে; এই পরীক্ষার নাম ‘ট্রিপল ফিল্টার টেস্ট’।
লোকটা অবাক হয়ে প্রশ্ন করল, ট্রিপল ফিল্টার!!!
এইটা আবার কি জিনিস?
সক্রেটিস বললেন, আমার বন্ধু সম্পর্কে আমাকে কিছু বলার আগে আপনি যা বলবেন তা ফিল্টার করে নেওয়া ভালো।
তিন ধাপে ফিল্টার হবে বলে আমি এটাকে 'ট্রিপল ফিল্টার টেস্ট' বলি।
প্রথম ফিল্টার হলো ‘সত্যবাদিতা/Truthfulness.
আপনি কি নিশ্চিত যে আপনি যা বলবেন তা সত্য?
লোকটা বলল, না, আমি শুধু শুনেছি জাস্ট এতটুকুই।
পুরোপুরি সত্য কিনা, তা নিশ্চিত নই।
সক্রেটিস বললেন, ঠিক আছে।
তাহলে আপনি জানেন না এটা সত্য কিনা?
এবার দ্বিতীয় ফিল্টার। এই ফিল্টারের নাম হল ‘ভালোত্ব/Goodness.
আমার বন্ধু সম্পর্কে আপনি যা বলবেন তা কি ভালো কোনো বিষয়?
লোকটা একটু আমতা আমতা করে বলল,
না, ভালো নয়, খারাপ কিছু।
সক্রেটিস বললেন, তার মানে আপনি আমার বন্ধু সম্পর্কে এমন একটা খারাপ কথা বলতে এসেছেন যা আদৌ সত্য কিনা সে ব্যাপারে আপনি নিশ্চিত নন।
আচ্ছা, আপনি হয়ত এখনো পরীক্ষায় পাস করতে পারেন। কারণ তিন নাম্বার ফিল্টার বাকি আছে।
এটা হল ‘উপকারিতা/Usefulness.
আমার বন্ধু সম্পর্কে আপনি যা বলবেন তা কি আমার বা আপনার কোনো উপকারে লাগবে?
লোকটি বলল, না, সেরকম না। এতে আমার বা আপনার কারোই উপকৃত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
সক্রেটিস তখন শান্তভাবে বললেন বেশ, আপনি যা বলতে চান তা-
সত্য না,
ভালো কিছুও না,
আবার আমার বা আপনার কোনো উপকারেও আসবে না।
তাহলে কেনইবা আমরা এসব অহেতুক কাজে সময় নষ্ট করব? We shall try to use our time truthfulness, goodness and usefulness.
চলুন, সময়টাকে একটা ভালো কাজে ব্যয় করি।
লোকটা তাই আর কিছু না বলে চলে গেল।
###Thanks For Visiting..........

Wednesday, 20 October 2021

কথা গুলো বাস্তব

কথা গুলো বাস্তব।

বৃষ্টি থেমে গেলে ছাতাটাকেও বোঝা মনে হয় ৷
কালি ফুরিয়ে গেলে কলমটাও আবর্জনার ঝুড়িতে জমা হয়। বাসি হয়ে গেলে প্রিয়জনের দেয়া ফুলটাও পরদিন ডাস্টবিনে পাওয়া যায়।
পৃথিবীর নিষ্ঠুরতম সত্য হলো আপনার উপকারের কথা মানুষ বেশিদিন মনে রাখবে না। জীবনের সবচেয়ে নিদারুণ বাস্তবতা হলো, কার কাছে আপনি কতদিন প্রায়োরিটি পাবেন, সেটা নির্ভর করবে কার জন্য কতদিন কিছু একটা করার সামর্থ্য আছে তার উপর।
এই বাস্তবতা আপনি মানলেও সত্যি, না মানলেও সত্যি। আজ সকালে যে পত্রিকার দাম ১০ টাকা, একদিন পর সে একই পত্রিকার ১ কেজির দাম ১০ টাকা। হাজার টাকা খরচ করে একাডেমিক লাইফে বছরের শুরুতে যে বইগুলো গুরুত্ব দিয়ে কিনেন, বছর শেষে সেই বইগুলোই কেজি মাপে বিক্রি করে দেন।
সময় ফুরিয়ে গেলে এভাবেই মূল্য কমতে থাকে সবার, সবকিছুর। আমরা আপাদমস্তক স্বার্থপর প্রাণী। ভিখারিকে ২ টাকা দেয়ার আগেও মানুষ চিন্তা করে কতটুকু পূণ্য অর্জন হবে। বিনা স্বার্থে কেউ ভিক্ষুককেও ভিক্ষা দেয় না৷
এতকিছুর পরও চলুন একটু হেসে কথা বলি।
রাগটাকে কমাই। অহংকারকে কবর দেই।
যদি সুখী হতে চান তবে প্রত্যাশা কমান।
আপনি কারো জন্য কিছু করে থাকলে সেটা চিরতরে ভুলে যান। কারণ সেটা যতদিন আপনি মনে রাখবেন ততদিন সেটা আপনাকে অহংকারী করে তুলবে।
আবার কেউ যদি আপনার জন্য খুব ছোট কিছুও করে থাকে, তবে সেটা আজীবন মনে রাখবেন। কারণ এটা আপনাকে বিনয়ী ও কৃতজ্ঞতাসম্পন্ন একজন ভালো মানুষ হিসেবে বাঁচিয়ে রাখবে।
###Thanks For Visiting..........

শিক্ষণীয় গল্প-১৩ (সন্তানের প্রতি পিতার ভালোবাসা)


 শিক্ষণীয় গল্প: সন্তানের প্রতি পিতার ভালোবাসা


একদিন ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ পিতা ও তার পুত্র তাদের বাগানের একটা বেঞ্চে বসেছিল। হঠাৎ একটি কাক এসে বসলো, তার পিতা জিজ্ঞেস করলেন,“এটা কি ?”
পুত্র বলল – “এটি একটি কাক ।”
… কয়েক মিনিট পর, পিতা আবার জিজ্ঞেস করলেন , “এটা কি ?
পুত্র বলল – “আমি তো কেবলি বললাম এটা একটা কাক ।”
একটু পর আবার পিতা জিজ্ঞেস করলেন, “এটা কি ?” এবার পুত্র অনেকটা বিরক্ত হয়েই কর্কশ গলায় বলল ,”এটা একটা কাক, এটা একটা কাক।” এবার পিতা ৪র্থ বারের মত জিজ্ঞেস করলেন “এটা কি ?”
এবার পুত্র প্রচণ্ড রেগে গেল, রাগের চোটে, কাঁপতে কাঁপতে চিৎকার করে পিতাকে বলল্, “তুমি কেন বার বার আমাকে একি কথা জিজ্ঞেস করছ ?
আমি তো তোমাকে বহুবার বললাম, এটা একটা কাক,এটা একটা কাক, চোখ নেই তোমার? বুঝতে পার না ?” বৃদ্ধ পিতা কোন কথা বললেন না, হেঁটে হেঁটে চলে গেলন। একটু পর ফিরে এলেন একটা ডায়রি সাথে নিয়ে । তিনি তার পুত্র কে বললেন “এটা পড়, মনোযোগ দিয়ে পড়বে ।”
“আজ আমি আমার ৩ বছর বয়সী ছেলের সাথে বাগানের বেঞ্চিতে বসেছিলাম। হঠাৎ একটা কাক এসে বসলো ।
আমার ছেলে আমাকে ২৩বার জিজ্ঞেস করল “এটা কি?”
আর আমি ২৩ বার উত্তর দিলামঃ
“এটা একটা কাক। ” তাকে প্রতিবার উত্তর দেবার সময় তাকে, গভীর ভালবাসায় জড়িয়ে ধরে ছিলাম । আমার পুত্র আমাকে একি প্রশ্ন ২৩ বার জিজ্ঞেস করেছে এবং আমি একটুও বিরক্ত বোধ দেখাইনি আমার নিস্পাপ ছেলেটার প্রতি ।” পুত্রের চোখের কোনে জল জমতে শুরু করল।পুত্র ডায়রিটা বন্ধ করে গভীর ভালবাসায় তার পিতাকে জড়িয়ে ধরলো ।
আর ধরা গলায় বললঃ
“Sorry Baba”.
শিক্ষণীয়ঃ অনেক সময়ই আমরা আমাদের বাবা – মায়ের সাথে খারাপ ব্যাবহার করি, উচু গলায় কথা বলি । কখনো কি ভেবে দেখেছেন কি পরিমান ভালবাসা আর কষ্ট করেছেন তারা আমাদের বড় করার জন্য ?
পৃথিবীর কোনকিছু দিয়ে কি তাদের এই ঋণশোধ করা সম্ভব ? পিতা-মাতার প্রতি যেমন সন্তানের দায়িত্ব রয়েছে ঠিক তেমনি সন্তানেরও পিতা মাতার প্রতি দায়িত্ব অপরিসীম।
আল্লাহ পাকের কাছে ঐ ব্যক্তি উত্তম যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম, তদ্রুপ ঐ সন্তানও আল্লাহ পাকের নিকট উত্তম যে সন্তান তার পিতা মাতার নিকট উত্তম। আমাদের সন্তানদের এমন শিক্ষায় বড় করা উচিত যেন তারা আমাদের বৃদ্ধ বয়সেও কাছে টেনে নিবে ঠিক যেমনটা আমরা তাদের ছেলে বেলায় বুকের মাঝে আগলে রাখতাম।
#Information: Collected.
#ফলো_দিয়ে_সাথেই_থাকুন।
মেগা পোস্টঃ ভুল ত্রুটি,ক্ষমাপ্রার্থী।
❤ ধন্যবাদ❤

শিক্ষণীয় গল্প-১২


 শিক্ষণীয় গল্প: সবাইকে নিজ নিজ কর্মফল ভোগ করতে হবে!


বনের রাজা সিংহ তার আন্ডাবাচ্চা নিয়া রোদ পোহাচ্ছিলো!
এমন সময় বাঁদর এসে তার লেজ ধরে দু’টা ঝাকি দিলো!
সিংহ যতোটা না অবাক হলো, তার চেয়ে বিরক্ত হইলো বেশী!
বাঁদর একটু দূরে দাঁড়িয়ে সিংহকে কয়েকটা ভেংচি কেটে হাসতে হাসতে চলে গেলো!
সিংহের বাচ্চা সিংহকে উদ্দেশ্য করে বললো,
“এত্তোবড় বেয়াদবী! আর আপনি তাকে কিছুই বললেন না!”
সিংহ বললোঃ
বলার সময় এখনো ফুরিয়ে যায়নি! একটু সময় অপেক্ষা করো, সবকিছু দেখতে পাবে!”
কয়েকদিন পর হঠাত করেই বাঁদর সিংহের সামনে পড়লো এবং এক থাপ্পরে তাকে শেষ করে দিলো সিংহ।
সিংহের বাচ্চা অবাক হয়ে সিংহকে জিজ্ঞেস করলোঃ
“বাপজান! সেদিন এতো অন্যায় করলো! কিছু আপনি কিছুই তাকে বললেন না! অথচ আজকে সে কিছুই করেনি! কিন্তু তাকে মেরে ফেললে?
সিংহ জবাবে বললোঃ
“দিস ইজ পলিটিক্স মাই সান! সেদিনের পর বাঁদর ভালুকরে পাছায় লাথি মেরেছে! হাতির শুড় ধইরা দুলছে! গন্ডারের পিঠে চইড়া নাচছে! হায়নাকে সে কাতুকুতু দিয়েছে!
জিরাফকে থাপ্পড় দিয়েছে! আর সবাইকেই বলছে, রাজাকেই আমি মানি না! সেখানে তুমি কে?”
“সেদিন ওরে মারলে সবাই আমাকে বলতো, ক্ষমতা দেখাইতেছি, স্বৈরাচারী এবং খুনী আমি!
আজকে একটু পর দেখবি- সবাই এসে বলবে, থ্যাংক ইউ রাজা সাহেব!”
আর মাঝে মাঝে লাই দিয়া মাথায় তুলতে হয়! যাতে শক্ত করে আছাড় দিলে বেশী ব্যথা পায় এবং আপদ শেষ হয়ে যায় একেবারে।
#Information: Collected.
#ফলো_দিয়ে_সাথেই_থাকুন।
মেগা পোস্টঃ ভুল ত্রুটি,ক্ষমাপ্রার্থী।
❤ ধন্যবাদ❤

মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমির ৩০টি উক্তি ও বাণী


 মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমির ৩০টি উক্তি ও বাণী |


১. মোমবাতি হওয়া সহজ কাজ নয়। আলো দেওয়ার জন্য প্রথম নিজেকেই পুড়তে হয়।
২. তোমার জন্ম হয়েছে পাখা নিয়ে, উড়ার ক্ষমতা তোমার আছে। তারপরও খোঁড়া হয়ে আছো কেন!
৩. তোমার হৃদয়ে যদি আলো থাকে, তাহলে ঘরে ফেরার পথ তুমি অবশ্যই খুঁজে পাবে।
৪. আমাদের চারপাশেই সৌন্দর্য ছড়িয়ে রয়েছে। কিন্তু এটা বুঝতে হলে বাগানে হাঁটতে হবে।
৫. প্রতিটি মানুষকে একটা নির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরি করা হয়েছে এবং সেই কাজটি তার হৃদয়ে গ্রন্থিত আছে। প্রতিটি মানুষ ভেতর থেকে ঠিক সেই কাজটি করার জন্যই তাড়না অনুভব করে।
৬. যা কিছু হারিয়েছো তার জন্য দুঃখ করো না। তুমি তা আবার ফিরে পাবে, আরেকভাবে, আরেক রূপে।
৭. এটা তোমার আলোই, তোমার আলোই এই জগতকে আলোকিত করে।
৮. প্রদীপগুলো আলাদা, কিন্তু আলো একই।
৯. বৃক্ষের মতো হও, আর মরা পাতাগুলো ঝরে পড়তে দাও।
১০. ঘষা খেতে যদি ভয় পাও, তাহলে চকচক করবে কীভাবে?
১১. শব্দ দিয়ে প্রতিবাদ করো, কণ্ঠ উঁচু করে নয়। মনে রাখবে ফুল ফোটে যত্নে, বজ্রপাতে নয়।
১২. গতকাল আমি বুদ্ধিমান ছিলাম, তাই পৃথিবীটাকে বদলে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আজ আমি জ্ঞানী, তাই নিজেকে বদলে ফেলতে চাই।
১৩. প্রদীপ হও, কিংবা জীবনতরী, অথবা সিঁড়ি। কারো ক্ষত পূরণে সাহায্য করো।
১৪. শোক করো না। তুমি যাই হারাও না কেনো তা অন্য কোনো রূপে ফিরে আসবে।
১৫. তুমি সাগরে এক বিন্দু পানি নও। তুমি এক বিন্দু পানিতে গোটা এক সাগর।
১৬. কেউ যখন কম্বলকে পেটাতে থাকে তখন সেটা কম্বলের বিরুদ্ধে নয়, ধুলোর বিরুদ্ধে।
১৭. প্রেম আসলে কোথাও মিলিত হয় না। সারাজীবন এটা সবকিছুতে বিরাজ করে।
১৮. অন্যের জীবনের গল্প শুনে সন্তুষ্ট হয়ো না, নিজের পথ তৈরি করো, নিজের জীবন সাজাও।
১৯. সুন্দর ও উত্তম দিন তোমার কাছে আসবেনা, বরং তোমারই এমন দিনের দিকে অগ্রসর হওয়া উচিত।
২০. তুমি এ ব্রহ্মাণ্ডে গুপ্তধনের খোঁজ করছো, কিন্তু প্রকৃত গুপ্তধনতো তুমি নিজেই।
২১. স্রষ্টার কাছে পৌঁছানোর অজস্র পথ আছে। তার মাঝে আমি প্রেমকে বেছে নিলাম।
২২. যে কখনো বাড়ি ছাড়েনি, তার কাছ থেকে যাত্রার উপদেশ নিও না।
২৩. আকাশ কেবল হৃদয় দিয়েই ছোঁয়া যায়।
২৪. সিংহকে তখনই সুদর্শন দেখায় যখন সে খাবারের খোঁজে শিকারে বেরোয়।
২৫. শুধু তৃষ্ণার্ত পানি খুঁজে না, পানিও তৃষ্ণার্তকে খোঁজে।
২৬. নতুন কিছু তৈরি করো, নতুন কিছু বলো। তাহলে পৃথিবীটাও হবে নতুন।
২৭. যে বাতাস গাছ উপড়ে ফেলে, সেই বাতাসেই ঘাসেরা দোলে। বড় হওয়ার দম্ভ কখনও করো না।
২৮. সব কিছু জেনে ফেলাই জ্ঞান নয়, জ্ঞান হলো কী কী এড়িয়ে যেতে হবে বা বর্জন করতে হবে তা জানা।
২৯. দুই ব্যক্তি কখনও সন্তুষ্ট নয়- বিশ্বকে যে ঘুরে দেখতে চায় আর যে আরও জ্ঞান আহরণ করতে চায়।
৩০. যদি তুমি চাঁদের প্রত্যাশা কর, তবে রাত থেকে লুকিয়োনা। যদি তুমি একটি গোলাপ আশা কর, তবে তার কাঁটা থেকে পালিয়োনা, যদি তুমি প্রেমের প্রত্যাশা করো, তবে আপন সত্তা থেকে হারিওনা।
শেখার জন্য তুমি পড়াশোনা করো, কিন্তু বুঝতে হলে তোমার প্রয়োজন ভালবাসা
- শামস তাবরিজি
জীবনের ভাবনাগুলো তখন শুধু জ্ঞানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, সেগুলো হয়ে উঠেছিল নীরব আর গভীর। যেমন শামস তাবরিজিকে খুঁজে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষার বিপরীত দিকে গিয়ে তিনি লেখেন,
আমি কেন তাকে খুঁজব?
সে আর আমি তো একই
তার অস্তিত্ব আমার মাঝে বিরাজ করে
আমি নিজেকেই খুঁজছি।
জীবনে এগিয়ে যাওয়া, পিছিয়ে যাওয়া, দুনিয়ায় টিকে থাকার যুদ্ধ- এসব বিষয়কে রুমি যেন নতুন করে পৃথিবীর সামনে নিয়ে আসেন। রুমি মানুষের নিজস্বতার উপর জোর দিলেন, মানুষের ভেতরকার আলোর সন্ধান দিলেন, যে আলো পৃথিবীর থেকেও শক্তিশালী বলে তিনি জানান,
তুমি কি এখনও এ ব্যাপারে অবগত নও? এ তো তোমারই আলো, যা দিয়ে সমগ্র জগত প্রজ্বলিত হয়!
মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমি দিন দিন যেন নিজেকে ছাড়িয়ে যেতে শুরু করলেন। সুফিবাদ আর মানুষের নিজের আলো জ্বালাতে যেন আরও দুর্বার, দুরন্ত হয়ে উঠলেন। তার জীবনে আসতে থাকলো নতুন নতুন ভাবনা আর কাজ, যা দিয়েই তিনি মৃত্যুর এত বছর পরও আলোচনা-ধ্যান-জ্ঞানে বেঁচে আছেন।
আমরা শূন্য থেকে ঘুরতে ঘুরতে এসেছি
যেমনটা তারারা আকাশে ছড়িয়ে থাকে
তারারা মিলে একটি বৃত্তের সৃষ্টি করে
এবং তার মাঝে আমরা নাচতে থাকি।
মানুষ তার জীবনে খুব বেশি কিছু হলে একটি ইতিহাস হয়, মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমি হয়েছেন এক জীবনব্যবস্থা, ভাবনার পরিপূর্ণতা! তিনি নিজেকে ছাড়িয়ে গেছেন বার বার, তবে পা দুটো তার মাটিতেই ছিল। তিনি নিজের ভেতর জন্ম নেয়া আলোকে চিনতে পেরেছেন, সেই আলোয় আলোকিত করতে চেয়েছেন সারা পৃথিবীকে। শক্তিশালী সব চিন্তা-চেতনা দিয়ে হৃদয় আলোকিত করতেই যেন জন্মেছিলেন মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমি। এক আধ্যাত্মিক জীবনের খোঁজে তার কাছে তো যাওয়াই যায়।
তোমার ক্ষুদ্র জগত থেকে বের হয়ে আসো এবং স্রষ্টার অসীম জগতে প্রবেশ করো
#Information: Collected.
#ফলো_দিয়ে_সাথেই_থাকুন।
মেগা পোস্টঃ ভুল ত্রুটি,ক্ষমাপ্রার্থী।
❤ ধন্যবাদ❤

শিক্ষণীয় গল্প-১১


 শিক্ষণীয় গল্প: ওয়েটিংরুম


এক লোক ট্রেন থেকে নামলো, আরেক ট্রেনে উঠবে ২০ মিনিট পর। এর মাঝখানে সে ওয়েটিং রুমে অপেক্ষা করার জন্য বসলো। ওয়েটিংরুমে ঢুকেই তার চোখে পড়লো রুমের লাইট টি নষ্ট। তাই সে একটি এনার্জি বাল্ব কিনে লাগালো। তার পর খেয়াল করলো রুমে অনেক মাকড়সার জাল।
তাই সে এক একটি ঝাড়ু কিনে রুমটি পরিষ্কার করলো। তারপর খেয়াল করলো রুমের ফ্লোরে ময়লা। তখন সে রুম ঝাড়ু দিলো। তারপর সে খেয়াল করলো রুমের বসার চেয়ারগুলো বেশি একটা আনন্দদায়ক নয়। তাই সে একটি আরামদায়ক চেয়ার কিনলো। এখন সে রুমটি সাজানোর জন্য কিছু জিনিস কিনে রুমটি সাজালো। এখন সে অনেক ক্লান্ত হয়ে গেল এবং তার আরামদায়ক চেয়ারে বসতে যাচ্ছে এই মুহুর্তে হঠাৎ করেই ট্রেনের হর্ন শুনতে পেল এবং সে ট্রেনে উঠার জন্য রুম থেকে চলে গেল এবং ট্রেনে বসে তার গন্তব্য স্থানে চলে গেল।
আমি জানি আপনারা ভাবছেন এই লোকের চেয়ে বোকা লোক আর পৃথিবীতে নেই।
কিন্তু আপনি কি জানেন এই লোকটি কে ?
এই লোকটি আর কেও নয় আপনি,আমি, সবাই! অবাক হলেও এটাই সত্য। আমরাও দুনিয়াতে এসেছি শুধু কিছু সময়ের জন্য। ১ম ট্রেন আমাদের জন্ম, ২য় ট্রেন আমাদের মৃত্যু এবং আমাদের গন্তব্য জান্নাত অথবা জাহান্নাম। আর দুনিয়ার জীবন হচ্ছে ওয়েটিংরুম। যেখানে আমরা মাত্র কিছু সময় থাকবো।
অথচ আমরা এই দুনিয়ার জীবনকেই এমনভাবে সাজাচ্ছি যে, আমরা ভুলেই গেছি আমাদের মৃত্যু খুব সন্নিকটে এবং আমাদের এই সাজানো গোছানো দুনিয়ার সবকিছু ছেড়ে মৃত্যু নামক ট্রেনে চড়ে চলে যেতে হবে। আমরা এই ওয়েটিং রুম সাজিয়ে কয় মিনিট ভোগ করতে পারবো?
তাই আমাদের এই ইহকালের জন্য জীবনকে সুখী করতে হারাম কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে ও পরকালের জন্য ইবাদত করতে হবে। যাতে করে আমরা পরকালে চিরশান্তির স্থান জান্নাত লাভ করতে পারি…।
#Information: Collected.
#ফলো_দিয়ে_সাথেই_থাকুন।
মেগা পোস্টঃ ভুল ত্রুটি,ক্ষমাপ্রার্থী।
❤ ধন্যবাদ❤

শিক্ষণীয় গল্প -১০


 গল্প পুরোটা পড়ার জন‍্য অনুরোধ রইলো‼


কোন এক রাজ দরবারে একদিন এক জেলে
একটি বড়সড় মাছ নিয়ে গেলো ।
রাজামশাই মাছটি দেখে খুব খুশি হলেন কারণ মাছ তাঁর খুব প্রিয় খাবার ছিলো ।
এজন্য রাজামশাই খুশি হয়ে জেলেকে ৫০০/-টাকা দিয়ে দিলেন ।
:
এদিকে পাশেই বসে থাকা রাণী
ফিসফিস করে রাজাকে বললেন,
এই সামান্য টাকার মাছটার দাম তুমি ৫০০/-টাকা দিয়ে দিলে....?
বড়জোর খুশি হয়ে তাকে ৮০/- থেকে ১০০/- টাকা দিতে পারতে ।
মাছ ফেরত নিয়ে টাকা দিতে বলো...!!
*
রাজামশাই বললেন, একি বলো রাণী !
রাজারা যা বলে তা নড়চড় করা অসম্ভব তাছাড়া এটাতো রাজাদের
ইজ্জতের ব্যাপার ।
:
রাণী বললেন,
আমি এমন একটা বুদ্ধি দিচ্ছি যা প্রয়োগ করলে তোমার সন্মানের কোনো হানি হবে না । জেলে মাছ নিয়ে টাকাও ফেরত দিবে।
:
রাজামশাই বললেন কি বুদ্ধি ?
*
রাণী বললেনঃ
জেলেকে ডেকে বলবে,
তোমার মাছটা কি পুরুষ না স্ত্রী ?
যদি জেলে বলে মাছ পুরুষ তাহলে তুমি বলবে আমার স্ত্রী মাছ লাগবে আর যদি জেলে বলে মাছ স্ত্রী তাহলে তুমি বলবে আমার পুরুষ মাছ লাগবে!
অতএব,
জেলে তখন মাছ ফেরত নিতে বাধ্য হবে!
*
রাজা রাণীর বুদ্ধিতে খুশি হয়ে জেলেকে ডেকে জিজ্ঞাসা করলেন,
তোমার মাছটা কোন জাতের ?
পুরুষ না স্ত্রী ?
জেলে থতমত হয়ে একটু ভেবে চিন্তে বললো,
যাঁহাপনা আমার মাছটা পুরুষও না
স্ত্রীও না ! আমার মাছটা হলো হিজড়া!
এবার রাজদরবারে হাসির রোল পড়ে গেলো, রাণীও শাড়ির আঁচল দিয়ে মুখ ঢেকে হাসলেন!
*
রাজা জেলের বিচক্ষণতা দেখে খুশি হয়ে আরও ৫০০/- টাকা দিয়ে দিলেন ।
জেলে খুশি হয়ে মোট ১০০০/- টাকার পোটলায় নিয়ে বের হয়ে যাচ্ছে । রাজমহলের মেইন গেইটের সামনে
যেতেই পোটলা থেকে পাঁচটি টাকা
মাটিতে পড়ে গেলো ।
জেলে তা তুলে চুমু খাচ্ছে কপালে লাগাচ্ছে এদিকে রাণী তা দেখে রাগে
ফোঁস ফোঁস করছে ।
*
যাঁহাপনা, এই জেলে এত লোভী কেন ? ১০০০/- টাকা থেকে মাত্র পাঁচটি টাকা পড়ে গেছে জেলের তা সহ্য হচ্ছেনা । যাঁহাপনা ! আপনি তাঁকে শাস্তি দেন ।
রাজাও ভাবলেন,
:
ঠিকই তো মাত্র ৫/- টাকা পড়ে গেছে,
গেট দিয়ে কতো গরিব মানুষ আসা যাওয়া করে তারা না হয় কুঁড়িয়ে নিতো ।
*
রাজামশাই জেলেকে ডেকে বললেনঃ
এই লোভী জেলে ?
তোমার এতো লোভ কেন ?
এতো টাকা দিয়েছি তোমায়, মাত্র ৫/- টাকার লোভ সামলাতে পারলে না ?
তা তুলে চুমু খাচ্ছো ?
তোমাকে কঠিন শাস্তি দেয়া হবে ।
:
জেলে বললঃ যাঁহাপনা !
আমি কিন্তু লোভের কারণে
ঐ টাকাটা তুলে চুমু খাইনি ।
টাকার গায়ে আমার রাজামশাই ও রাণী মা'র নাম লেখা আছে, তাই ভাবলাম, টাকাটা মাটিতে পড়ে থাকলে হয়তো অন্য কোনো মানুষ পা দিয়ে পিষবে আর আমার রাজা ও রাণী মা'র ইজ্জতের হানি হবে । তাই আমি টাকাটা তুলে চুমু খেলাম এবং কপালে ঠেকিয়ে সালাম করলাম ।
*
এবার রাজামশাই আরও খুশি হয়ে জেলেকে আরও ৫০০/- টাকা দিলেন । সর্বমোট ১৫০০ /- টাকা দিয়ে
জেলে বিদায় করলেন ।
আর রাজ ঘোষককে বললেন,
তুমি সমগ্র রাজ্যে ঘোষণা করে দাও
কেউ যেন বউয়ের বুদ্ধিতে না চলে ।
আর এটাও বলে দাও বউয়ের বুদ্ধিতে চললে 500/- টাকার জায়গায় ১৫০০/- টাকা লোকসান হয়...!
#Information: Collected.
#ফলো_দিয়ে_সাথেই_থাকুন।
মেগা পোস্টঃ ভুল ত্রুটি,ক্ষমাপ্রার্থী।
❤ ধন্যবাদ❤

দুনিয়াতে অধিকাংশ মানুষ অসুখী কেন? শিক্ষণীয় গল্প


 দুনিয়াতে অধিকাংশ মানুষ অসুখী কেন? শিক্ষণীয় গল্প


একদিন এক রাজা তার উযিরকে বললো, আচ্ছা বলো তো, দুনিয়াতে অধিকাংশ মানুষ অসুখী কেন?
এই যে দেখো,আমার কর্তৃত্বে এতো বড় রাজ্য। কোন কিছুর অভাব নেই। তবুও কেমন জানি আমি মনের দিক থেকে সেই শান্তিটা পায় না। সবসময় অশান্তিতে কেন থাকি?
উযির কিছুক্ষন নিরব থেকে বলল,এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য আপনাকে ছোট একটি কাজ করতে হবে।
রাজা বললেন, বলো, কী কাজ? উযির বলল, আপনি একটি থলেতে নিরানব্বইটি দিনার রাখুন। আর থলেটির উপরে লিখে দিন একশত দিনার। এরপর রাত্রিতে সেটা আপনার খাদেমের ঘরের সামনে ফেলে রাখুন।
উযিরের নির্দেশনা মতো রাজা সবকিছু করলেন। রাতে সেই খাদেম বের হল। দেখল একটি থলে পড়ে আছে। ঘরে নিয়ে দেখল তাতে গুণে গুণে নিরানব্বইটি চকচকে দিনার রয়েছে। এরপর লক্ষ্য করল সেই থলেতে লেখা আছে ‘একশত দিনার’।
এক দিনার না পেয়ে বেচারা ঘরের সবাই ঘুম থেকে জাগিয়ে তুলে ওই একটি দিনার খুঁজতে লাগিয়ে দিল। সারারাত চলল খোঁজাখুজি। কিন্তু পাওয়া গেল না।
এদিকে রাজা আর উযির আড়ালে দাঁড়িয়ে সব দেখল।
সকালে সেই খাদেম যখন রাজ দরবারে আসল রাজা দেখল, খাদেমের চেহারা মলিন। কোন বিরাট কিছু হারিয়ে যাওয়ার দুখে জর্জরিত যেন খাদেমের মন।
এবার উযির রাজাকে বলল, রাজা মশাই! ওই একের জন্যই আমরা এতো অসুখী। আল্লাহ আমাদেরকে যত নেয়ামত দিয়েছেন তা হলো নিরানব্বইটি দিনারের মতো। আমরা সেগুলো নিয়ে তুষ্ট থাকি না। শোকরিয়া আদায় করি না।
থলেতে যে এক দিনার নেই সেটার জন্য আমরা
ব্যতিব্যস্ত। সেজন্যই আমরা মনকষ্টে ভুগি। মনে
করি কত বড় জিনিসই না হাতছাড়া হয়ে গেল।
.
রাজা মশাই! সব মানুষ যদি আল্লাহ পাকের দেয়া
নিরানব্বইটি অর্থাৎ অসংখ্য নেয়ামত নিয়ে তুষ্ট
থাকতো, কৃতজ্ঞ হতো তাহলে দুনিয়াতে কেউ
অসুখী হতো না
কি পেয়েছি,আল্লাহ কত দিয়েছেন,সেই হিসাব আমরা ততটুকু করি না,যতটুকু না পাওয়া/ মনের আশা অপুরনের হিসাব টুকু করি।
ওই অপূর্নতার দিকে মননিবেশ টা আমরা এত কঠিন ভাবে করে ফেলি যে,পাওয়ার হিসাব টুকু আর মনেই থাকে না। যার কারনে সব দিকে শুধু বারবার অপুর্নটাই চোখে পড়ে।
রাজা মশাই! আমরা যদি আল্লাহ পাকের দেয়া অসংখ্য নেয়ামত নিয়ে একটু মনযোগ দেয়,তাহলে অশান্তির ছোঁয়া ও আমাদের স্পর্শ করতে পারবে না।
তখন বারবার মনে হবে,আল্লাহ পাক তো আমি না চাইতেই তো আমাকে অনেক দিয়েছেন।
আপনি একটিবার বিশ্বাস করুন,আপনি অনেক ভালো আছেন,দেখবেন,আপনি সত্যিই অনেক ভালো আছেন।
আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে নেক আমল করার
তাওফিক দান করুন,
#আমিন
#Information: Collected.
#ফলো_দিয়ে_সাথেই_থাকুন।
মেগা পোস্টঃ ভুল ত্রুটি,ক্ষমাপ্রার্থী।
❤ ধন্যবাদ❤

শিক্ষণীয় গল্প -০৯




❐ উকিল চায় আপনি ঝামেলায় পড়ুন।
❐ ডাক্তার চায় আপনি অসুখে পড়ুন।
❐ পুলিশ চায় আপনি বেআইনী কাজ করুন।
❐ ইলেকট্রিশিয়ান চায় আপনার
বাড়ির ওয়্যারিং জ্বলে যাক।
❐ বাড়িওয়ালা চায় আপনি যেন
জীবনে বাড়ি করতে না পারেন।
❐ মুচি চায় আপনার নতুন জুতো ছিঁড়ে যাক।
❐ ব্যাংকার চায় আপনি টাকা লোন
নিয়ে ঋনগ্রস্থ হোন।
❐ প্রাইভেট টিউটর চায় আপনার
সন্তান পাঠ্যপুস্তকের পড়া কম বুঝুক।
**শুধুমাত্র চোর চায় আপনি ধনী
হোন আর মহাসুখে নাক ডেকে ঘুমান।
এতএব, চোরই আপনার প্রকৃত বন্ধু।
--------------প্রমানিত
৩টি জিনিসের উপর ভরসা করা ঠিক নয়।
১| নদীর পাড়ের বাড়ি
২। ব্রেক ছাড়া গাড়ি
৩। ঘর ছাড়া নারী।
তিনটি জিনিস একবার আসেঃ
(১) মাতা-পিতা
(২) সৌন্দর্য্য
(৩) যৌবন।
তিনটি জিনিস
ফিরিয়ে আনা যায়নাঃ
(১) বন্দুকের গুলি
(২) কথা
(৩) রূহ।
তিনটি জিনিস মৃত্যুর পর উপকারে আসেঃ
(১)সু-সন্তান
(২)ভাল কাজ
(৩) ইলম।
তিনটি জিনিস সম্মান নষ্ট করেঃ
(১)চুরি
(২)চোগলখুরী
(৩)মিথ্যা।
তিনটি জিনিস
পিছনেতে রাখোঃ
(১)হিংসা
(২)অভাব
(৩)সন্দেহ।
তিনটি জিনিসকে সর্বদা মনে রেখঃ
(১) উপদেশ
(২) উপকার
(৩) মৃত্যু।
তিনটি জিনিস কে আয়ত্বে রেখঃ
(১) রাগ
(২) জিহবা
(৩) মন।
তিনটি জিনিস অভ্যাস করঃ
(১) সততা
(২) ভক্তি
(৩) ভালোবাসা
তিনটি জিনিস থেকে দূরে থেকঃ
(১) মিথ্যা
(২) অহংকার
(৩) অভিশাপ।
তিনটি জিনিসকে চিন্তা করে ব্যবহার করঃ
(১) কলম
(২) কথা
(৩) কদম
‘দয়া করে মূল্যবান পোষ্টটা পড়া শেষ হলে
শেয়ার করুন’
এবং সকল কে জানার ও শিক্ষার সুযোগ করে
দিন ।
নুপুরের দাম হাজার টাকা,,
কিন্তু তার স্থান পায়েই হয়,,
টিপের দাম এক টাকা হলেও ,,
তার স্থান কপালে। "যে নুনের মতো
তিতকুটে জ্ঞান দেয়, সে আসল বন্ধু"।
ইতিহাস সাক্ষী আছে, নুনে কখনো পোকা ধরেনি,,
আর মিষ্টিতে তো প্রতিদিনই পোকা ধরে, পিঁপড়ারাও ছাড়েনি।
মোমবাতি জ্বালিয়ে মৃত মানুষকে স্মরণ করা হয় ,,
আর মোমবাতি নিভিয়ে জন্মদিন পালন করা হয়।
মানুষ সোজা পথে চলতে চায় না,,
আর বাঁকা পথের প্রতি সবারই
আগ্রহ বেশী।
এজন্যই তো মদ বিক্রেতাকে কারো কাছে যেতে হয় না,,
আর দুধ বিক্রেতাকে পাড়ায় পাড়ায় যেতে হয়।
আমরা দুধ বিক্রেতাকে সর্বদা বলি, "জল মেশাননি তো?",,
আর মদে নিজেরাই জল মিশিয়ে খাই।
আজ পর্যন্ত মানুষকে এটুকুই বুঝলাম,,,
যে "তাকে জানোয়ার বললে ক্ষেপে যায়,,
কিন্তু সিংহ বললে খুশি হয় !!
মানুষ বড় আজব প্রাণী!
লেখাঃ সংগৃহীত!
তবে লেখার মধ্যে মিশিয়ে আছে সমাজের বাস্তব চিত্র।।
#Information: Collected.
মেগা পোস্টঃ ভুল ত্রুটি,ক্ষমাপ্রার্থী।
#পরবর্তী_পোষ্ট_পেতে_ফলো_দিয়ে_সাথেই_থাকুন
♥️♥️♥️---------।। ধন্যবাদ ।।---------♥️♥️

Featured Post

Samsung Galaxy S22 Ultra price in Bangladesh

Mobile Phone Price in Bangladesh   Samsung Galaxy S22 Ultra Brand:   Samsung Category: Smartp hones AT A  GLANCE: Display :  6.8" Dyna...